রাজশাহীতে প্রেমের ফাঁদে সাড়ে ১১ লাখ টাকা খোয়া, প্রতারক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর পবা থানা পুলিশের অভিযানে ইমো একাউন্টের মেসেজিং এর মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়া এক প্রতারক গ্রেপ্তার হয়েছে।

সাইফুল খান শামীম ওরফে জুম্মন খান (৪০) নামের এই প্রতারক মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার খাসের হাটের বজরুসার গ্রামের আজিজুল খাঁন ওরফে আজগর খানের ছেলে। বর্তমানে ঢাকা মহানগরীর মুগদা থানার মুগদাপাড়া ১ নম্বর গলির জনৈক আসমার বাড়ির ভাড়াটিয়া।

জানা গেছে, প্রতারক সাইফুল খান শামীম ওরফে জুম্মন খান(৪০) নিজেকে আমেরিকা প্রবাসী বলে দাবি করে। কিন্তু বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে বসবাসে আগ্রহ প্রকাশ করে পবা থানার এক নারীর সাথে ইমো একাউন্টের মেসেজিং এর মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

এরপর সাইফুল খান শামীম ওরফে জুম্মন খান(৪০) ভিক্টিমকে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক গত জুন মাসে বিয়ে করেন। প্রেমের সম্পর্ক থাকাকালীন ও বিবাহ পরবর্তী সময়ে আসামী সাইফুল খান শামীম ওরফে জুম্মন খান (৪০) ভিক্টিমের কাছ থেকে ব্যবসায়িক সমস্যার কথা বলে এসএ পরিবহনের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ১১ লাখ ৩৯ হাজার ৫00 টাকা হাতিয়ে নেয়।

ভিক্টিম, সাইফুল খান শামীম ওরফে জুম্মন খানর (৪০) প্রতারণা বুঝতে পেরে পবা থানায় লিখিত অভিযোগ করে। প্রেক্ষিতে পবা থানা থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়। মামলাটি রুজুর পরপরই আরএমপি পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক’র নির্দেশে পবা থানার একটি চৌকস অভিযানিক দল এসআই শরিফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে আসামীকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে।

এ সময় গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, আসামী ঢাকা মহানগরীর মতিঝিল থানাধীন এলাকায় অবস্থান করছে। এসআই শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ টিম মতিঝিল থানা পুলিশের সহায়তায় ২৭ ডিসেম্বর রোববার দিবাগত রাতে মতিঝিল থানাধীন ফকিরাপুল এলাকা হতে আসামী সাইফুল খান শামীম ওরফে জুম্মন খানকে (৪০) আটক করা হয়।

পবা থানা অফিসার্স ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামী তার নাম-ঠিকানা এবং ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয় স্বীকার করেন। আসামীর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button